সোমবার, ১৫ অগাস্ট ২০২২, ০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন

সংখ্যার চেয়ে আমার কাছে মানের গুরুত্ব বেশি: আসিফ নূর।

মারুফ সরকার, বিনোদন প্রতিনিধি, ঢাকা।
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৪ মার্চ, ২০২১
  • ৪০৯ বার পঠিত

ঢাকাই সিনেমার এ প্রজন্মের চিত্রনায়ক আসিফ নূর। এস এ হক অলিকের ‘এক পৃথিবী প্রেম’ সিনেমা দিয়ে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পেয়েছে শাহীন সুমন পরিচালিত আসিফের দ্বিতীয় সিনেমা ‘পাগলের মতো ভালোবাসি’। দীর্ঘ পাঁচ বছর পর আলোর মুখ দেখেছে সিনেমাটি। সম্প্রতি যুক্ত হলেন শাপলা মিডিয়া প্রযোজিত ক্যারিয়ারের তৃতীয় সিনেমায়। এমডি মোতালেব পরিচালিত ‘মন যারে চায়’ সিনেমাটি গত মাসের শেষের দিকে ছবির চিত্রায়ণ শুরু হয়। একটানা কাজ করে শেষ হবে দৃশ্য ধারণ। শীঘ্রই গানের শূটিংয়ের জন্য কক্সবাজার যাবেন। ‘মন যারে চায়’ সিনেমাতে আসিফের বিপরীতে রয়েছেন সেলিনা আফ্রি। তারা এর আগে একসঙ্গে ‘মায়া’ নামের একটি ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন। যা অচিরেই মুক্তি পাবে। আসিফ নূরের মন কাকে চায়? উত্তরে এ নায়ক বলেন, ‘মন যে কাকে চায় সেটিই জানতে দর্শককে হলে গিয়ে সিনেমাটি দেখতে হবে। গল্পে টুইস্ট আছে। অভিনয়টা আমি একেবারে হৃদয় থেকে করি। তাই নিজের ব্যবসার প্রচুর ব্যস্ততার মাঝেও সিনেমার জন্য সময় বের করি। চেষ্টা করি ভালো গল্পে কাজ করতে। সংখ্যার চেয়ে মানের গুরুত্ব আমার কাছে বেশি। এছাড়াও বেশ কয়েকটি সিনেমা নিয়ে কথা চলছে চূড়ান্ত হলে সবাই জানতে পারবে।’ আসিফ আরও বলেন, ‘বিদেশের মাটিতে বেড়ে ওঠা। কখনোই এ জগতের সাথে পরিচয় ছিল না। সেখান থেকে দেশে ফিরে ব্যবসায় জড়িয়ে যাওয়া। কাকতালীয় ভাবে অভিনয়ে আসি। তারপর অভিনয় এমন ভাবে ভালোবেসে ফেলি যা কখনোই ছাড়তে পারবো না। এখন অভিনয় নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখছি। ব্যস্ততার মাঝেও যুক্ত থাকার চেষ্টা করছি। চিত্রনায়ক আমিন খান ও চিত্রনায়িকা মৌসুমী আপুর অনুপ্রোরণায় শোবিজে আসা। এ অঙ্গনের প্রতি দর্শকদের যে ভালোবাসা সেটি আমাকে মুগ্ধ করেছে। শুরুটা নাটক দিয়ে তারপর চলচ্চিত্রে অভিষেক। চেষ্টা করছি দর্শকদের ভালো কিছু দিতে। যতো কাজ করবো ততো শিখবো।’ আসিফের পছন্দের অভিনেতা সালমান শাহ্ ও অভিনেত্রীর মধ্যে চিত্রনায়িকা মৌসুমী। ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ ছবি দেখে তাদের অভিনয়ে মুগ্ধ হন। বর্তমান নায়ক-নায়িকারাও ভালো কাজ করছে। আমাদের চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি খুবই খারাপ সময় পার করছে। এই খারাপ সময়ের মধ্যেও কিছু মানুষ চেষ্টা করছেন ঘুমিয়ে যাওয়া ইন্ডাস্ট্রি কিভাবে জাগ্রত করা যায়। এটি তখনই সম্ভব হবে যখন সিনেমা হলে দর্শক ফিরবে। সবার সম্মিলিত চেষ্টায় ঘুরে দাঁড়াতে পারে আমাদের ইন্ডাস্ট্রি। খারাপ সময় থেকে ভালো সময় যাচ্ছে। আমরা চাই আমাদের সংস্কৃতি ধরে রাখতে। দর্শকদের কাছে অনুরোধ হলে গিয়ে বেশি বেশি বাংলা সিনেমা দেখুন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..