শুক্রবার, ১৯ অগাস্ট ২০২২, ০৭:২০ পূর্বাহ্ন

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় বিজিবি সদস্যর বিরুদ্বে থানায় নারী নির্যাতন ও চুরির মামলা। সাংবাকিকে হুমকি

ইকবাল হাসান নেত্রকোণা প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৬ মে, ২০২১
  • ২৯৫ বার পঠিত

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় মোজাফর পুর ইউনিয়নের গগডা ভুইয়া পাড়া বাসিন্দা ফজলুর রহমানের ছেলে বিজিবি সদস্য হামিদুর রহমান হাসেম (২৮) এ সাথে ৩ বছর পূর্বে কেন্দুয়া পৌর এলাকার মহিউদ্দিনের বড় মেয়ে নেত্রকোনা সরকারী কলেজের রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্রী মাকসুদার সাথে আনুষ্টানিক পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়। মহিউদ্দিন জানান, বিয়ের কিছু দিন পর থেকেই আমার মেয়েকে নানা অজুহাতে যৌতুকের জন্য চাপ দিতে থাকে। ফিসারিস ব্যবসার নামে মেয়ের মাধ্যমে আমার কাছ থেকে ৭ লাখ টাকা ধার নেয় । প্রায় ৬ মাস পর বিশেষ প্রযোজন থাকায় এই টাকা ফেরত চাইলে আরো টাকা নেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে আমার মেয়েকে টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে আমার মেয়েকে শেষ পর্যন্ত তার শাশুড়ি জামাই মিলে নির্যাতন করে। আমার মেয়ে এই নির্যাতনের বিষয়টি লিখিত ভাবে বিজিবি মহাপরিচালক বরাবর অভিযোগ জানায়। এতে সে কিপ্ত হয়ে ছুটি নিয়ে বাড়ীতে এসে ৫ মে দুপুরে আমার বাসায় তার বড় ভাই আবুল কাশেম কে নিয়ে এসে কেন তার বিরোদ্বে অভিযোগ করা হয়েছে সে কারণে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করে মেয়েকে জোর পূর্বক চিনিয়ে নিয়ে যেতে চায়। এক পর্যয়ে আমার মেয়েকে হত্যার ও চেষ্টা করে। মেয়ে যাইতে না চাইলে মেয়েকে মারপিট আরম্ভ করলে আমার স্ত্রী ,ছোট ছেলে ( ১২) বাধা দিলে তাদের কেও মারপিট শুরু করে তারা। তাদেরকে ও জখম করে কৌশলে পালিয়ে যাওযার সময় ঘরে রাত নগদ ১লা টাকা, আমার মেয়ের ৭ ভরি সর্ণ ও একটি এনড্রোয়েট মোবাইল সেট নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। এ সময় আমি বাসায় ছিলাম না। পরে আমার স্ত্রী বাদী হয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে। এ ঘটনায় বিজিবি সদস্য হামিদুর রহমান হাসেম তার স্ত্রীকে বাবার বাসা থেকে আনতে গেলে তাকে তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন তাকে মারপিট করে বলে কেন্দুয়া থানায় পাল্টা পাল্টি অভিয়োগ দায়ের করেণ। আসলে কি নিয়ে এই সমস্যার শৃষ্টি হয়েছে জানতে চাইলে হামিদুর বলেন, আমি ছুটিতে এসে আমার স্ত্রীকে আনতে গেলে তারা কিপ্ত হয়ে আমাকে মারপিট করেছে, আমি এখন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছি। তার কিছুক্ষ পর বেলা ১২টা ৪৪ মিনিটে ০১৭৩৭ ৩৮১৭৩২ নাম্বার থেকে প্রতিবেদককে হুমকি বিজিবি সদস্যের এই ঘটনায় কোন প্রতি বেদন না করার জন্য। আর প্রতিবেদন করলে দেয় দেখে নিবে বলে হুমকি দেয়। এ ব্যাপারে কেন্দুয়া থানা অফিসার ইনচার্জ কাজী শাহনেওয়াজ জানতে চাইলে তিনি জানান, আমরা উভয় পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নিব।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..