সোমবার, ১৫ অগাস্ট ২০২২, ০৮:০৭ পূর্বাহ্ন

দেশের কৃষিক্ষেত্রে কৃষি বিপ্লব ঘটেছে — কৃষি সচিব মেসবাহুল ইসলাম।

আরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৫ মার্চ, ২০২১
  • ৩৪০ বার পঠিত

কৃষিক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রকারের ফসল উৎপাদন করে এবং ফসলের বিরুদ্ধে কাঙ্খিত সুফল পাচ্ছেন কৃষকরা। দেশের কৃষি খাতে একটি কৃষি বিপ্লব ঘটেছে। কৃষিক্ষেত্রে কৃষ্ণাঙ্গ পর্যায়ে রাসায়নিক সার, কীটনাশক এবং অন্যান্য কৃষি উপকরণের জন্য কৃষিক্ষেত্রে এক বিরাট পরিবর্তন ঘটেছে। যা কৃষি বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সরবরাহের পাশাপাশি পাশে ছিল সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টায় কৃষকদের কৃষি ফসলের উৎপাদন বাড়িয়ে তুলতে এবং তাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটে। শনিবার (১৩ মার্চ) গাইবান্ধা সদর উপজেলা কৃষি অফিসারের কার্যালয়ের উদ্যোগে মালিবাড়ী ইউনিয়নের কাবিলের বাজারের হাজিপাড়ায় ‘আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে উন্নতমানের ধান, গম ও পাট বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ বিতরণ প্রকল্প’ এর আওতায় গম প্রর্দশনীর মাঠ দিবস ও রংপুর বিভাগের কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষি বিভাগের মহাপরিচালক (ডিজি) কৃষি সচিব মেসবাহুল ইসলাম এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, ঢাকা খামারবাড়ীর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আসাদুল্লাহ, প্রাক্তন মহাপরিচালক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও সদস্য বিশেষজ্ঞ পুল, এপিএ কৃষি মন্ত্রণালয় হামিদুর রহমান ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রংপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক খন্দকার আবদুল ওয়াহেদ। কৃষি সচিব আরো বলেন, কৃষি বিজ্ঞানীরা উদ্ভাবিত এবং কৃষক মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দ্বারা প্রসারিত আধুনিক কৃষি পদ্ধতি প্রয়োগের জন্য বর্তমান সরকারের আমলে একটি ফসলি জমি দু’টি এক এবং দু’টি ফসলের জমি তিনটি ফসলে পরিণত হয়েছে। এ অঞ্চলে আমন ও বোরো ধানের উচ্চমূল্যের ফসলের উৎপাদনই বৃদ্ধি পায়নি বরং বিভিন্ন ফসলের উৎপাদনও বৃদ্ধি পেয়েছিল, ফলস্বরূপ, দেশ খাদ্য সুরক্ষা অর্জন করেছে। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০২১ সালের মধ্যে কীভাবে এটি একটি উন্নত দেশে রূপান্তরিত হবে। তিনি জাতির জনক ও স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নে দেখে ‘সোনার বাংলা’ গড়তে সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন। জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মতিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রফিউল আলম, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল ইমরান। এরআগে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাসুদুর রহমান। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, জেলার ৩১৮০ হেক্টর জমিতে গম চাষ করা হয়েছিল, এরমধ্যে ১ ১৭০০ হেক্টর জমি গমের আওতায় আনা হয়েছে। চলতি মৌসুমে সদর উপজেলায় কৃষিকাজ। অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক কৃষক, মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তা, আমন্ত্রিত ব্যক্তি ও সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। শেষে কৃষক পর্যায়ের উন্নতমানের ডাল, তেল, ও মসলা বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিভাগ (৩য় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় এসএমইভূক্ত কৃষকদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..