শুক্রবার, ১৯ অগাস্ট ২০২২, ০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন

কেল্লাবাড়ি মন্দিরের স্বরস্বতী পূজা উপলক্ষে বেড়েছে মৃৎশিল্পীদের ব্যাস্ততা।

জয়ন্ত রায় কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি ।
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৩৪৬ বার পঠিত

কদিন বাদেই স্বরস্বতী পূজা, তারজন্য মৃত শিল্পীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিমা তৈরীতে। কিশোরগঞ্জ উপজেলার চাঁদখানা ইউনিয়নের কেল্লাবাড়ি স্বরো জনিন দূর্গা মন্দিরের স্বরস্বতী পূজা উপলক্ষে কিছুটা বেড়েছে মৃৎ শিল্পীদের ব্যস্ততা।আগামী ১৬ই ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিদ্যারদেবী স্বরস্বতী পূজা। বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা বিদ্যারদেবী স্বরস্বতীর পূজা করে থাকেন । স্কুল কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরাই বেশি আগ্রহী থাকে স্বরস্বতী পূজা করার জন্য।করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে স্কুল কলেজ বন্ধ থাকায় পূজার আয়োজন এবার চোখে না পরলেও পাড়া মহল্লায় কেউবা আবার নিজ বাড়িতে পূজা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এরই অংশ হিসেবে কেল্লাবাড়ি ও সনাশি পাড়ার মৃত শিল্পীদের কিছুটা ব্যস্ততা বেড়েছে।উপজেলার কেল্লাবাড়ি মন্দির ও সনাশি পাড়া এলাকায় কয়েকটি বাড়ি ঘুরে দেখা যায় প্রতিমা তৈরীতে ব্যাস্ত তারা । সারিসারি করে সাজিয়ে রেখেছেন প্রতিমা গুলো। যদিও এখনো শুকোয়নি প্রতিমা, শুকানো হলে তুলির আচরে সাজানো হবে।তবে মৃত শিল্পীরা বলছিলেন শীতের তীব্রতায় তারা কাজ করতে পারছেন না ঠিক ভাবে।ঘন কুয়াশার আড়ালে সূর্য লুকিয়ে থাকছে, রোদের দেখা মিলছে না। শীতের তীব্রতায় ঠিক ভাবে কাজ করতে পারছেন না মানুষ।এছাড়াও আশেপাশের ঘরগুলোতে বিভিন্ন ধরনের মাটির জিনিস পত্র তৈরীতে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়। অনেক সুন্দর মাটির পুতুল খেলনা হাড়ি পাতিল তৈরী করতে দেখা যায় তাদের । সকলেই তাদের নিজ নিজ কাজ নিয়ে ব্যস্ত। তাদের দাবি সরকারি ভাবে কোন অনুদান বা পৃষ্টপোষকতা করা হলে তারা আরো নতুন নতুন মাটির জিনিস তৈরী করে মানুষের হাতে দিতে পারবে। মৃত শিল্পকে বাচিয়ে রাখতে হলে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। না হয় একসময় এই শিল্প হাড়িয়ে যাবে বলে তাদের শংকা ।কথা হয় কয়েক জনের সাথে, এদের মধ্যে সঞ্জিত বলেন, আমাদের এই এলাকায় ৪০-৪৫ টি বাড়ি আছে। আমাদের জীবন যাপনে অনেক কষ্ট পোহাতে হচ্ছে। অন্যান্য বছরের মতো এবার স্বরস্বতী প্রতিমার অর্ডার নাই। তবুও ৬০টিপ্রতিমা তৈরী করে রাখছি, এই পর্যন্ত ১০ টার অর্ডার পাইছি। করোনার কারণে এবার পূজা কম তাই কম বানানো হচ্ছে, গত বছর ১০০-১২০ টি প্রতিমা বিক্রি হয়েছে। এবার জিনিস পত্রের দাম বেশি হওয়ায় প্রতিমার দামও একটু বেশি ধরা হয়েছে। আমাদের এখানে ৭০০ থেকে ৫ হাজার টাকার ভিতরে প্রতিমা নিতে পারবে।রতন সনাশি (৭৪) নামে আরেকজন বলেন, জিনিস পত্রের দাম বেশি হওয়ায় আমাদের এখন আর পোশায়না। সরকারি ভাবে আমাদের পৃষ্ঠপোষকতা করলে আমরা নতুন নতুন মাটির জিনিস তৈরী করতে পারবো।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..